Ramagya
সব নিবন্ধ
Panchang & Muhurat

শনির সাড়েসাতীতে নবগ্রহ শান্তি পূজা কখন করবেন: শুভ মুহূর্ত চেনার ব্যবহারিক উপায়

आचार्या सुनीता जोशी·30 October 2026· 4 মিনিট

शनि की साढ़ेसाती का नाम सुनते ही अक्सर मन में घबराहट आ जाती है, लेकिन असली सवाल यह होता है कि इस दौरान शांति के लिए कौन-सा समय सबसे अच्छा रहेगा। साढ़ेसाती में नवग्रह शांति पूजा कब करें, यह तय करना उतना ही ज़रूरी है जितना पूजा करना। अच्छी तिथि, सही नक्षत्र और उचित मुहूर्त मिल जाएँ तो पूजा का भाव और फल दोनों गहरे हो जाते हैं। इस लेख में हम पंचांग देखकर व्यावहारिक तरीके से समय चुनने की प्रक्रिया समझेंगे।

সাঢ়েসাতীতে নবগ্রহ শান্তি পূজা কখন করবেন, তার প্রথম ধাপ: পাঠকের আসল দ্বিধা

বেশিরভাগ মানুষ সরাসরি জানতে চান কোন দিনটি ভালো। কিন্তু পঞ্জিকার হিসাবে দেখলে শুভ দিন একা যথেষ্ট নয়। একই শনিবারের মধ্যে কোনো সময় পূজার জন্য ঠিক হতে পারে, আবার কোনো সময় একেবারেই নয়। তাই প্রথমে বুঝতে হবে সাঢ়েসাতীর সময় শনি, এবং সেই সঙ্গে রাহু-কেতুর প্রভাব শান্ত করার পূজায় কোন বিষয়গুলোতে মনোযোগ দিতে হবে।

ধরুন আপনার চন্দ্র রাশি বৃষ এবং সাঢ়েসাতীর একটি চরণ চলছে। আপনাকে কুণ্ডলীতে শনির অবস্থান দেখতে হবে, দশার একটি ধারণা নিতে হবে, এবং তারপর পঞ্জিকা থেকে সময় ঠিক করতে হবে। এই ক্রমটিই এই পুরো বিষয়ের মেরুদণ্ড।

পঞ্জিকার পাঁচটি অঙ্গ: শুভ সময় খোঁজার ভিত্তি

পূজার মুহূর্ত নির্ণয়ের আগে পঞ্জিকার পাঁচটি অঙ্গ বোঝা জরুরি: তিথি, বার, নক্ষত্র, যোগ ও করণ। আপনি যদি এগুলো আগে থেকেই জানেন তবে পরের প্রক্রিয়াটি সহজ হয়ে যায়। না জানলে আমাদের লেখা পঞ্জিকা কী? হিন্দু ক্যালেন্ডারের পাঁচ অঙ্গের ব্যাখ্যা আগে পড়ে নিন।

শনির পূজার জন্য ঐতিহ্যগতভাবে শনিবারকে প্রাধান্য দেওয়া হয়, আর রাহু-কেতুর শমনের জন্য ভিন্ন দিন ও ভিন্ন বিবেচনা থাকে। নবগ্রহ পূজায় নয়টি গ্রহেরই আবাহন হয়, তাই বাস্তবে এমন একটি দিন বেছে নেওয়া উচিত যা সামগ্রিকভাবে শান্ত ও স্থির।

তিথি কীভাবে যাচাই করবেন

পূর্ণিমা, অমাবস্যা, চতুর্থী, নবমী ও চতুর্দশীর মতো তিথিকে অনেক ঐতিহ্য ভারী মনে করে। শুক্ল পক্ষের শুভ তিথি, যেমন দ্বিতীয়া, তৃতীয়া, পঞ্চমী, সপ্তমী, দশমী ও একাদশী, সাধারণত নতুন কাজ ও পূজার জন্য অনুকূল ধরা হয়। তবে পূজার মূল ভিত্তি আপনার কুণ্ডলীর অবস্থানও, তাই তিথিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে ধরবেন না।

নক্ষত্রের গুরুত্ব

শনির নক্ষত্র, যেমন পুষ্যা, অনুরাধা ও উত্তরভাদ্রপদকে শনি-সম্পর্কিত কাজে দেখা হয়। সেই সঙ্গে আপনার জন্ম নক্ষত্রের সঙ্গে মেলে এমন নক্ষত্রও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পঞ্জিকায় চন্দ্র কোন নক্ষত্রে আছে তা দেখা জরুরি। নক্ষত্রের পূর্ণ তথ্য থেকে আপনি আপনার নক্ষত্র বুঝে নিতে পারেন।

সাঢ়েসাতীতে নবগ্রহ শান্তি পূজা কখন করবেন: ধাপে ধাপে ব্যবহারিক প্রক্রিয়া

এবার সরাসরি সেই প্রক্রিয়ায় আসি যাতে আপনি নিজে শুভ মুহূর্ত বেছে নিতে পারেন। ক্রম অনুযায়ী করুন এবং প্রতিটি ধাপে নোট রাখুন।

  1. আপনার কুণ্ডলী ও চরণ নিশ্চিত করুন। প্রথমে জানুন আপনি সাঢ়েসাতীর প্রথম, দ্বিতীয় না তৃতীয় চরণে আছেন। এর জন্য বিনামূল্যের কুণ্ডলী থেকে আপনার চন্দ্র রাশির অবস্থান দেখুন।
  2. বর্তমান দশা দেখুন। বিংশোত্তরী দশায় শনি, রাহু বা কেতুর মহাদশা বা অন্তর্দশা চলছে কিনা অবশ্যই দেখুন। দশা অনুযায়ী পূজার গুরুত্ব বাড়তে বা কমতে পারে।
  3. তিন-চারটি সম্ভাব্য তিথি বাছুন। আগামী দুই-তিন মাসের শনিবার বা শুভ বারের তিথিগুলো নোট করুন।
  4. প্রতিটি তিথিতে নক্ষত্র যাচাই করুন। দেখুন সেই দিন চন্দ্র কোন নক্ষত্রে থাকবে এবং তা আপনার জন্য অনুকূল কিনা।
  5. যোগ ও করণ দেখুন। সিদ্ধি, প্রীতি, আয়ুষ্মান ও সৌভাগ্যের মতো শুভ যোগকে প্রাধান্য দিন। ব্যতীপাত বা বৈধৃতির মতো অশুভ যোগ এড়িয়ে চলুন।
  6. রাহু কাল ও অন্যান্য অশুভ কাল এড়ান। পূজার সময় রাহু কাল, যমগণ্ড ও গুলিক কালে রাখবেন না। এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়তে পারেন রাহু কাল কী এবং শুভ কাজে এর থেকে কীভাবে বাঁচবেন?।
  7. সবশেষে অভিজিৎ মুহূর্ত বা ব্রাহ্ম মুহূর্তের সঙ্গে তুলনা করুন। সম্ভব হলে পূজার জন্য ব্রাহ্ম মুহূর্ত বা দিনের মধ্যভাগের অভিজিৎ মুহূর্ত বেছে নিন।

একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝুন

ধরুন একজন পাঠক মুম্বইতে থাকেন, তাঁর চন্দ্র রাশি সিংহ এবং তিনি সাঢ়েসাতীর দ্বিতীয় চরণে আছেন। তিনি পরের মাসের তিনটি শনিবার নোট করলেন। প্রথম শনিবারটি অমাবস্যার ঠিক পরে ছিল, তাই সেটি বাদ দিলেন। দ্বিতীয় শনিবার চতুর্দশী ছিল, সেটিও বাদ গেল। তৃতীয় শনিবার শুক্ল পক্ষের সপ্তমী ছিল, চন্দ্র অনুরাধা নক্ষত্রে ছিল এবং সিদ্ধি যোগ তৈরি হচ্ছিল। রাহু কাল বাদ দিয়ে সকাল সাতটা থেকে নয়টার মধ্যে পূজা রাখা হলো। এই প্রক্রিয়ার সারকথা এটাই: একেকটি মানদণ্ড পেরিয়ে চূড়ান্ত তিথি নির্বাচন করা।

পঞ্জিকা দেখার সাধারণ ভুল যা এড়াবেন

  • শুধু বার দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া, বাকি অঙ্গ না দেখা।
  • পূর্ণিমা বা অমাবস্যা যাচাই না করে পূজা রাখা।
  • রাহু কালকে উপেক্ষা করা।
  • স্থানীয় সূর্যোদয়ের সময়ের বদলে অন্য শহরের পঞ্জিকা দেখা।
  • তাড়াহুড়ো করে মুহূর্ত বেছে নেওয়া, অথচ তুলনার জন্য অন্তত দুই-তিনটি বিকল্প না রাখা।

সাঢ়েসাতীতে পূজার কোনো বিশেষ দিন আছে কি?

ঐতিহ্যে শনিবার শনির জন্য মানা হয়, এবং নবগ্রহ পূজাতেও শনির নাম প্রধানভাবে আসে। তাই শনিবারকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। তবে যদি আপনার কুণ্ডলীতে রাহু বা কেতুর প্রভাব বেশি মনে হয়, তাহলে সেই অনুযায়ী দিন ও সময় বেছে নেওয়া বেশি কার্যকর হতে পারে। যেসব পরিবারে নবগ্রহ পূজা সমষ্টিগতভাবে হয়, সেখানে পুরো পরিবারের সম্মতিতে সময় ঠিক করা ভালো বলে মনে করা হয়।

উৎসব ও ব্রত অনুযায়ী সময় নির্বাচন

অনেক সময় পরিবার চায় পূজাটি কোনো বিশেষ উৎসব বা ব্রতের দিনে হোক। শনি জয়ন্তী, শনি অমাবস্যা ও আরও কিছু পর্ব শনি শান্তির জন্য বিশেষ মানা হয়। আপনি যদি এমন কোনো দিন বেছে নিতে চান, তাহলে হিন্দু উৎসব ও ব্রতের তালিকা দেখে সেদিনের পঞ্জিকা যাচাই করে নিন। মনে রাখবেন, উৎসবের দিনেও রাহু কাল ও অন্যান্য অশুভ কাল প্রযোজ্য থাকে।

গৃহপ্রবেশ বা অন্য শুভ কাজের সঙ্গে পূজাকে কীভাবে যুক্ত করবেন

কখনো কখনো নবগ্রহ পূজা নতুন বাড়িতে প্রবেশ বা বিবাহের মতো শুভ অনুষ্ঠানের সঙ্গে রাখা হয়। সেক্ষেত্রে পূজার সময় সেই মুহূর্তের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ঠিক করতে হয়। এ জন্য গৃহপ্রবেশের মুহূর্ত কীভাবে বাছবেন: পঞ্জিকার ভিত্তিতে সহজ নির্দেশিকা কাজে আসতে পারে। দুটি আলাদা কাজ একসঙ

সাঢ়েসাতীতে নবগ্রহ শান্তি পূজা কখন করবেন | শুভ মুহূর্ত কীভাবে বেছে নেবেন | Ramagya Astrology