লক্ষ্মী এবং ধোপানি
लक्ष्मी
এক গ্রামে একজন গরিব ধোপানি বাস করত। সে ছিল পরিশ্রমী ও সৎ। প্রতিদিন সে মানুষের কাপড় কেচে সামান্য আয় করত। কিন্তু সে কখনো অভিযোগ করত না। নিজের ঘর সে ঝকঝকে পরিষ্কার রাখত এবং প্রতি সন্ধ্যায় একটি ছোট্ট প্রদীপ জ্বালিয়ে দেবী লক্ষ্মীর পূজা করত। এক দীপাবলির রাতে দেবী লক্ষ্মী পৃথিবীতে ঘুরতে বেরোলেন, দেখতে যে কে সত্যিকারের নিষ্ঠাবান হৃদয়ে তাঁর আরাধনা করে। ধনীদের বাড়িতে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান চলছিল, কিন্তু তাদের মনে ছিল কেবল আরও সম্পদের লোভ। ধোপানির ছোট্ট কুঁড়েঘরে একটিমাত্র ক্ষুদ্র প্রদীপ উজ্জ্বলভাবে জ্বলছিল। সে বিশুদ্ধ হৃদয়ে প্রার্থনা করছিল, সকলের মঙ্গল কামনা করছিল। দেবী লক্ষ্মী তার এই অকৃত্রিম ভক্তিতে আপ্লুত হলেন। তিনি এক বৃদ্ধা মহিলার ছদ্মবেশ ধরে ধোপানির দরজায় এসে দাঁড়ালেন। ধোপানি তাকে স্নেহের সাথে ভেতরে ডেকে নিল এবং নিজের সাধারণ খাবার তার সাথে ভাগ করে নিল। সন্তুষ্ট হয়ে দেবী লক্ষ্মী তাকে আশীর্বাদ করলেন। পরের দিন থেকে ধোপানির জীবনে সমৃদ্ধি আসতে শুরু করল, কিন্তু সে কখনো তার পরিশ্রম ও বিনম্রতা ত্যাগ করেনি।
নৈতিক শিক্ষা
আন্তরিক ভক্তি ও সৎ পরিশ্রম সর্বদা আশীর্বাদ আকর্ষণ করে।